রায় দিতে বিশেষ আদালতে বিচারক

রাজনীতি
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

রায় দিতে বিশেষ আদালতে বিচারক

অনলাইন ডেস্ক: পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালত
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে আদালতে পৌঁছেছেন বিচারক ড. আখতারুজ্জামান।


বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার পর পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে পৌঁছান বিচারক।

এরইমধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের কয়েকজন আইনজীবীও আদালতে হাজির হয়েছেন। দুই দফায় নাম-প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখে সেখানে পৌঁছেছেন সাংবাদিকরাও।

রায় উপলক্ষে কারাগার থেকে মামলার দুই আসামি সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদকে আদালতে আনা হয়েছে।

রায় শুনতে গুলশানের বাসা থেকে আদালতে হাজির হবেন খালেদা জিয়া। এজলাসে তার বসার জন্য একটি চেয়ার ও দুটি ছোট টেবিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আদালতের ভেতরে সাদা পোশাক ও পোশাক পরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। বাইরে বিপুল সংখ্যক র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তিন আসামি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী সবাই পলাতক রয়েছেন।

খালেদা জিয়াসহ তিন আসামির উপস্থিতিতে আজ দুপুর নাগাদ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার ছয় আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন।

২০০৮ সালের ৩ জুলাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ মামলায় ২৩৬ কার্যদিবসে ৩২ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। ২৮ কার্যদিবস ধরে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর পর ১৬ কার্যদিবস উভয়পক্ষের (দুদক ও আসামিপক্ষ) যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ২৫ জানুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

Sign up via our free email subscription service to receive notifications when new information is available.