১৬ মাসে ব্যয় ২৬ লাখ, ৩২ মাসের চাহিদা ৩০ কোটি!

অর্থনীতি
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

১৬ মাসে ব্যয় ২৬ লাখ, ৩২ মাসের চাহিদা ৩০ কোটি!

 অনলাইন ডেস্ক: অস্বাভাবিকভাবে পরামর্শক ব্যয় বাড়ানোর কারণে বাস্তবায়নের শুরুতেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে ‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ৭০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভূমি অধিগ্রহণ ও ‍সুরক্ষা এবং ফিজিবিলিটি স্টাডি’ শীর্ষক প্রকল্প। এটি গ্রহণের প্রথম ১৬ মাসে পরামর্শক খাতে ২৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা ব্যয় করা হলেও পুরো মেয়াদকাল ৪ বছর বা ৪৮ মাসের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ কোটি ১৮ লাখ টাকা।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) এ বিস্ময়কর পরামর্শক ব্যয়ের চাহিদা ছেঁটে দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগ। নামিয়ে এনেছে ৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকায়। সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পিইসির ওই সভা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, কক্সবাজারের মহেশখালীতে আরও ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে কেন্দ্র স্থাপনে গৃহীত প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) পরামর্শক সেবা খাতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩০ কোটি ১৮ লাখ টাকা। কিন্তু পরিকল্পনা কমিশন এই অযৌক্তিক ব্যয় কর্তন করে মাত্র ৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা করেছে। অর্থাৎ ছেঁটে দিয়েছে ২৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

২০১৬ সালের জানুয়ারিতে গৃহীত এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদকাল ধরা হয় ওই মাস থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগে প্রায় ১০০ কোটি ডলার (৮ হাজার কোটি টাকার বেশি) ব্যয়ের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য পরে এক বছর সময় বাড়িয়ে মেয়াদকাল ধরা হয় ২০১৯ সালের ডিসেম্বর।

এই অর্থছাঁটের কারণে প্রকল্পটি আবারও সংশোধন করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পের প্রথম ১৬ মাসে ১৮ পরামর্শকের পেছনে ২৬ লাখ ৬১ হাজার কোটি ব্যয় বিবেচনায় সব খাত খাত মিলিয়ে পরামর্শক সেবা খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, স্বল্প সময়ে পরামর্শক সেবা বাবদ এতো বেশি অর্থ খরচ করা সম্ভব নয় বলে মনে করে

Sign up via our free email subscription service to receive notifications when new information is available.