২৮ বছর পর সেমিতে ইংল্যান্ড

খেলা
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

২৮ বছর পর সেমিতে ইংল্যান্ড


কাগজে কলমে ফেবারিট। কাজান এরেনায় কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে ফেবারিটের মতোই জিতেছে ইংল্যান্ড। সুইডেনকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে গেছে গ্যারেথ সাউথগেটের দল।

ম্যাচের শুরুটা হয়েছে একেবারে ম্যাড়ম্যাড়ে। প্রথম ১২ মিনিটে বলার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দল। ১৩ মিনিটের মাথায় ইংলিশ গোলরক্ষককে চমকে দিতে বক্সের অনেক বাইরে থেকে শট নিয়েছিলেন ভিক্টর ক্লাসেন। তার ডান পায়ের দূরপাল্লার শটটি বারের একটু উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।

১৯ মিনিটে রাহিম স্টার্লিং দারুণভাবে বল টেনে নিয়ে চলে যান একদম সুইডেনের বক্সের কাছাকাছি। শেষমুহূর্তে তিনি এক ঝটকায় বলটা দিয়ে দেন দৌড়ে আসা হ্যারি কেইনকে। বক্সের একটু বাইরে মাঝ থেকে জোড়ালো শটও নিয়েছিলেন কেইন, একটুর জন্য সেটা বেরিয়ে যায় গোলপোস্টের ডানদিক দিয়ে।

এরপর আক্রমণের পর আক্রমণ করে গেছে ইংল্যান্ড। যার ফলও তারা পেয়ে যায় ৩০ মিনিটে। অ্যাশলে ইয়াংয়ের কর্নার থেকে বক্সের মধ্যেই বল পেয়েছিলেন হ্যারি মাগুইরে। লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত এক হেডে পোস্টের বাম দিক দিয়ে সেটা জালে জড়িয়ে দেন লেস্টার সিটি ডিফেন্ডার (১-০)।

প্রথমার্ধের ঠিক আগ মুহূর্তে ৪৪ মিনিটে নিশ্চিত একটি গোলের সুযোগ মিস করে বসেন রাহিম স্টার্লিং। বক্সের মধ্যে সুইডিশ গোলরক্ষক ওলসেনকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে বক্সে ঢুকে গিয়েছিলেন আরও দুই সতীর্থ। কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটির মিডফিল্ডার সুযোগটা নষ্ট করেন।

গোল শোধে মরিয়া সুইডেন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফিরতে পারতো ম্যাচে। ৪৭ মিনিটে লুইডউইগ অগাস্টিনসনের ক্রস থেকে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত এক হেড নিয়েছিলেন মার্কাস বার্গ। ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড সেটা বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক হাতে বাইরে বের করে দেন।

এরই মধ্যে ৫৮ মিনিটে আরেকটি ধাক্কা খেয়ে বসে সুইডেন। সংঘবদ্ধ একটি আক্রমণ থেকে বল পেয়েছিলেন হেসে লিনগার্ড, ক্রস করেন বক্সের মধ্যে। বল পেয়ে তাতে মাথা ছুঁইয়ে দেন বক্সের বাঁ পাশে থাকা ডেলে আলি। তার দুর্দান্ত হেডে ২-০তে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।


কয়েক মিনিট পরই সুইডেনের নিশ্চিত গোলের সুযোগ নস্যাৎ করে দেন ইংলিশ গোলরক্ষক পিকফোর্ড। ৬২ মিনিটে ক্লাসেনের বক্সের মধ্যে নেয়া ডান পায়ের জোরালো শট আটকে দেন তিনি। ফিরতি বলে আবারও সুযোগ পেয়েছিলেন ক্লাসেন। এবার বল ক্লিয়ার করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার হেন্ডারসন।

৭০ মিনিটে আবারও পিকফোর্ড-বীরত্ব। এবার পোস্টের মাঝামাঝি বরাবর বার্গের জোড়ালো শট আঙুলের ডগা দিয়ে বাইরে বের করে দেন এভারটন গোলরক্ষক। এরপর দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ করেছে, তবে আর গোল হয়নি। ফলে ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে থ্রি লায়ন্সরা।