যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের প্লাস্টিক বিধ্বংসী এনজাইম আবিষ্কার

তথ্যপ্রযুক্তি
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের প্লাস্টিক বিধ্বংসী এনজাইম আবিষ্কার

পৃথিবীতে আশ্চর্যজনক কত আবিষ্কারের ঘটনাই না ঘটে। মানবজাতির ইতিহাসে এমন যুগান্তকারী বা বিপদজনক আবিষ্কারের সংখ্যাও কম নয়। কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কার হোক বা হ্যারি কুভারের আবিষ্কৃত সুপার গ্লু আবিষ্কার এর কোনটাই নেহাত পরীক্ষালদ্ধ আবিষ্কার প্রক্রিয়া নয় সেখানে আকস্মিক আবিষ্কারের ইতিহাসটা লক্ষণীয়।

অনেক ক্ষেত্রেই মানবজাতির ইতিহাস পরিবর্তন করে দিয়েছে এই আবিষ্কারের ধারা। জন্ম দিয়েছে নতুন সঙ্কটের বা করেছে সমাধান। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা আকস্মিকভাবেই এমন এনজাইম আবিষ্কার করেছেন যা পৃথিবীর প্লাস্টিক বর্জ্য সমস্যা নিরসনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানী অনুসন্ধান ল্যাবরেটরি (এনআরইএল) এই কাজে তাদের সার্বিক বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক সমর্থন দিয়েছে।

জাপানের বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে তারা যখন গবেষণা করছিলেন তখন ‘ইডিওনেলা সাকাওনেসিস’ নামের এই এনজাইম তারা আবিষ্কার করেন। তারা দেখতে পান এই এনজাইমটি পলিথিন টেইরিপ্যাথেলেট বা ১৯৪০ সালের প্যাটেন্ট অনুযায়ী যা পলিথিন নামেই পরিচিত তার রাসায়নিক গঠনকে ভেঙ্গে ফেলতে সহায়তা করে।

এনআরইএল জানিয়েছে, এনজাইমটির রাসায়নিক গঠনটি জানতে বিস্তারিত গবেষণা করতে গিয়েই বিজ্ঞানীরা দুর্ঘটনাবশত এনজাইমটিকে আরো শক্তিশালী প্লাস্টিক বিধ্বংসী এক এনজাইমে রূপান্তরিত করেন। এই আবিষ্কারের ফলে পৃথিবীর পরিবেশের জন্য মহা বিপর্যয়কারী প্লাস্টিক সমস্যা সমাধানে এক যুগান্তকারী সমাধান যোগ হলো।

সংস্থাটির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ম্যাক গিহান জানান, ভবিষ্যতে এই এনজাইমকে আরো শক্তিশালী করে তোলা সম্ভব হবে এবং প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত সবুজ পৃথিবী গড়তে এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সিএনএন